ভ্রমণের জন্যে দারুণ এক দেশ চীন। এর আনাচে কানাচে অসংখ্য মনকাড়া স্থান রয়েছে। যদি সেখানে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেই থাকেন, তবে এবার শাংহাইয়ের কথাই বলা যাক। পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত এক স্থান। বিশ্বের সব পর্যটকই জীবনে একবার না একবার হলেও শাংহাই দর্শন করতে চান। এখানে দেখে নিন শাংহাইয়ের কিছু আকর্ষণীয় স্থানের কথা। যদি যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তবে এই স্থানগুলোতে ভ্রমণের সুযোগ হারাবেন না।
১. শাংহাইয়ের অত্যাধুনিক পুডং ফিনানসিয়াল ডিস্ট্রিক্ট দেখে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন। আর আলোকছটায় কোনো কল্পরাজ্য বলেই মনে হয়। হুয়াংপু নদীর ওপার থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়। সেখানকার ওরিয়েন্টাল পার্ল টাওয়ার এবং বেশ কয়েকটি আকাশছোঁয়া ভবন দেখার মতো জিনিস।

এ প্রতিবেদনের প্রথম ছবিটা পুডং ফিনানসিয়াল ডিস্ট্রিক্টের আধুনিকতা সমহিমায় প্রকাশ করছে।
২. তাইকাং রোডের পাশে সম্প্রতি গড়ে উঠেছে ক্যাফে আর বুটিক। স্থানীয় ও পর্যটকদের কাছে এই স্থান ব্যাপক আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এখানকার জীবন ছোট ছোট কারখানা থেকে ক্যাফে সংস্কৃতিতে চলে গেছে। গেলে খুবই ভালো লাগবে।

৩. শাংহাই সাউথ রেইলওয়ে স্টেশন বানানো হয়েচে পলিকার্বোনেট, অ্যালুমিনিয়াম আর স্টিল দিয়ে। এই স্টেশনে একযোগে ১০ হাজার যাত্রী অপেক্ষা করতে পারেন। অসাধারণ এক রেল স্টেশন। এর ভবিষ্যত দিনের ডিজাইন আর স্থাপত্যশৈলী সবাইকে মুগ্ধ করে।

৪. বুড্ডিস্ট জিংঅ্যান টেম্পল আরেকটি দর্শনীয় স্থান। সেই ১৩ শো শতক থেকে এই মন্দিরটি ওয়েস্ট নানজিং রোডে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আত্মিক শান্তি আর সৌন্দর্যের মিশ্রণ ঘটেছে এখানে। পর্যটকরা এখান থেকে শান্ত মন নিয়ে ফিরে আসেন।

এ শহরে যতটা আধুনিকতা ছোঁয়া লেগেছে, প্রাচীন ঐতিহ্য ঠিক তেমনই আছে। দৃশ্যমান প্রযুক্তি আর আধুনিক স্থাপত্যকলার সঙ্গে তারা গতানুগতিক জীবনযাপনকে এখনও জড়িয়ে রেখেছে। এখানকার পরিবেশ ও মানুষজন পুরোপুরি পর্যটনবান্ধব। একবার গিয়ে ঘুরে আসতে পারলে এর স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা সুখকর হয়ে থাকবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here