জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রায়ের কপি আজ বিকেল নাগাদ দেওয়ার কথা থাকলে শেষ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। কপি তোলা হবে বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি)। আর ওইদিন হাতে পেলে রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) করা হবে আপিল।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া এই কথা জানান।

এর আগে জানা যায়, খালেদা জিয়ার রায়ের কপির কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। বিকেল ৪টা নাগাদ রায়ের কপি পাওয়া যেতে পারে। গত (১২ ফেব্রুয়ারি) রায়ের জন্য আদালতে ৩ হাজার ফোলিও (যে কাগজে রায়ের কপি সরবরাহ করা হয়) জমা দেন বলেও জানান অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া।

এর আগে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়নি তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে মূল ফটকে পৌঁছান সাত চিকিৎসক। তারা হলেন- অধ্যাপক ডা. সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. সাহাব উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস, অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম সেলিম, ডা. মো. ফাওয়াজ হোসেন শুভ ও ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটু।

চিকিৎসকরা কারাফটকের কাছে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেডে তাদের আটকানো হয়। এরপর তারা কারা অধিদফতরে গিয়ে জেল সুপার বরাবর আবেদন করেন। তাদের আবেদন নকচ করে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার অন্য আসামি তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায়ের পর খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়া হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here