ঘর বাড়ি পরিষ্কার রাখার পরও বেড়েই চলছে পোকামাকড়ের আনাগোনা? মশা, মাছি কিংবা মাকড়শার অত্যাচারে অতিষ্ঠ সবাই! রান্নাঘর থেকে শুরু করে শোওয়ার ঘর সব জায়গায় এদের আনাগোনা।

এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবার জন্য বাজারে বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক দ্রব্য পাওয়া যায় যা স্বাস্থ্যের জন্য ব্যাপক ক্ষতিকর। বিশেষ করে যদি বাড়িতে ছোট বাচ্চা, অসুস্থ মানুষ বা পোষা প্রাণী থাকে তাহলে অবশ্যই রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করা উচিৎ না। তবে ঘরোয়া কিছু উপাদান ব্যবহার করে মুক্তি পেতে পারেন এই সমস্যা থেকে। চলুন জেনে নেই প্রাকৃতিক উপায়গুলো,
• কর্পূর: ঘরে কালো এবং লাল পিঁপড়ার উপদ্রব বেড়ে গেলে তাদের চলাচলের পথে কর্পূর ছিটিয়ে দিন। কর্পূরের গন্ধ পিঁপড়া বা আরশোলা সহ্য করতে পারে না।
• শসা: শসা কাটার সময়ে অনেকেই শসার চামড়াটি ফেলে দেয়। কিন্তু এগুলো ফেলে না দিয়ে ব্যবহার করা যাবে কীটনাশক হিসেবে। এগুলোকে ঘরের বিভিন্ন কোনায়, কাপবোর্ডে কিংবা আলমারির ভিতরে রেখে দিন। শসার গন্ধে তেলাপোকা কমে যাবে।
• নিমপাতা: প্রাকৃতিক এই উপাদানের কার্যকারিতার কোনো সীমা নেই। নিমপাতার প্রাকৃতিক উপাদান সহজে ঘরে পোকামাকড় ঢুকতে দেয় না। বইয়ের পৃষ্ঠার মাঝে, কাপড়ের ভাজে কিংবা লেপ-তোশকের নিচে শুকনো নিমপাতা দিয়ে রাখুন। এতে বইয়ের পোকা ও ছারপোকা দূর করে দেয়। এছাড়াও নিমের তেল গায়ে মাখলে মশার কামড় থেকে মুক্তি পাবেন।
• লেবুর রস: লেবুতে রয়েছে সাইট্রিক এসিড যা পোকামাকড়েরা সহ্য করতে পারে না। তাই যেখান থেকে পোকামাকড় আপনার ঘরে ঢুকছে সেখানে লেবুর খোসা ছোটো ছোটো টুকরোয় কেটে ছড়িয়ে দিন।
• ভিনেগার: রান্নার কাজ ছাড়াও গৃহস্থালির নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ভিনেগার। ঘর মোছার পানিতে দুই টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে নিন এবং মুছে ফেলুন। এতে দূর হয়ে যাবে পিঁপড়া, আরশোলা ও তেলাপোকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here