গৃহকর্মী নির্যাতন মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের ডেপুটি কনসাল জেনারেল শাহেদুল ইসলাম। তার বিরুদ্ধে আনা ৩৩টি অভিযোগ মঙ্গলবার খারিজ করে দিয়েছেন কুইন্সের অপরাধ আদালতের বিচারক ব্যারি ক্রন। আদালত শাহেদুলের পাসপোর্টও ফেরত দিয়েছেন। শ্রমিক পাচার, গৃহকর্মী নির্যাতন ও হত্যার হুমকির অভিযোগে গত বছরের ১২ জুন নিউইয়র্কে নিজ বাসা থেকে শাহেদুলকে গ্রেফতার করা হয়। নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান যুগান্তরকে জানান, মঙ্গলবার শাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে শাহেদুলের পক্ষে অংশ নেন অ্যাটর্নি ডেনিয়েল আশরাক। শুনানি শেষে বিচারক ব্যারি ক্রন সব অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে মামলা থেকে শাহেদুলকে অব্যাহতি দেন। শাহেদুল ইসলাম জানান, ‘আল্লাহর অশেষ রহমতে আদালত থেকে আমি অব্যাহতি পেয়েছি। আদালতে প্রমাণিত হয়েছে- আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ছিল। ৩৩টি অভিযোগই আদালত খারিজ করে দিয়েছেন’। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীসহ যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন, এ জন্য তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ’। নিউইয়র্কের ডেপুটি কনসাল জেনারেল শাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি গৃহকর্মী রুহুল আমিন শ্রমিক পাচার, গৃহকর্মী নির্যাতন এবং মজুরি চাওয়ায় হত্যার হুমকির অভিযোগ এনে ২০১৬ সালে আদালতে মামলা করেন। এ গৃহকর্মীকে তিনিই বাংলাদেশ থেকে নিউইয়র্কে নিয়ে এসেছিলেন। রুহুল আমিন ২৬ বছর ঠাকুরগাঁওয়ে শাহেদুলের পরিবারে কাজ করেছেন। গৃহকর্মীর মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর ১২ জুন সকালে পুলিশ জ্যামাইকার বাসা থেকে শাহেদুলকে গ্রেফতার করে। ওই দিন শাহেদুলকে কুইন্সের অপরাধ আদালতে তোলা হলে ৫০ হাজার ডলারের বন্ড বা নগদ ২৫ হাজার ডলারে জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক। পর দিন ৫০ হাজার ডলারের বন্ড দিয়ে জামিনে মুক্তি পান শাহেদুল ইসলাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here