সন্ত্রাসী এবং সন্ত্রাসবাদে প্রশ্রয়দাতাদের প্রতি ধিক্কার জানিয়েছে নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশীরা। এ ধরনের চিন্তা মাথায় নিয়ে যারা ঘোরে তাদের উদ্দেশ্যে বলা হয়, যদি ভালো হয়ে থাকতে চাও থাকো, নয়তো আমেরিকা ছাড়ো। কোন সস্ত্রাসীর জায়গা আমেরিকার মাটিতে হবেনা। বাংলাদেশী কম্যুউনিটি এ ধরনের ঘৃন্য কাজকে কনোভাবেই মেনে নেবেনা। গতকাল রাতে নিউইয়র্কের স্টার্লিং এভিনিউতে বাংলাদেশ-আমেরিকান কম্যুউনিটি কাউন্সিল (বিএসিসি) আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সোমবার আকায়েদ উল্লাহ নামের এক বাংলাদেশীকে বোমা হামলাকারী সন্দেহে গ্রেপ্তার করে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ। আজ তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন নিউইয়র্কসহ আমেরিকায় বসবাসকারী বাংলাদেশীরা।
এরই ধারাবাহিকতায় বিএসিসি তাদের কর্মী সমর্থকসহ কম্যুউনিটি নেতাদের নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। সেখানে মানব বন্ধনসহ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিএসিসির প্রেসিডেন্ট আইনজীবি মোহাম্মদ এন মজুমদারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএসিসির সেক্রেটারী জেনারেল নজরুল হক, রেজু আবদুল্লাহ, ব্রঙ্কস বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সভাপতি এন ইসলাম মামুন, সারোয়ার জাহান,আকসাদ আলী, মোঃ মতিন সরকার,এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুলের সিইও সাইদুর রহমান লিংকন, জাকির চৌধুরী, সিপিএ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আমেরিকায় আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে দীর্ঘদিন বসবাস করছি। এখানে আমাদের ব্যবসা, বাড়িঘর, সহায় সম্পদ রয়েছে। আমাদের সন্তানরা এখানে পড়াশোনা করছে। বড় হচ্ছে। আমাদের ঘাম, আমাদের শ্রম রয়েছে এখানে। এদেশ আামাদের। সুতরাং এ দেশকে নিরাপদ রাখা আমাদের দায়িত্ব। তারা বলেন, আমরা সন্ত্রাসকে ঘৃনাভরে প্রত্যাখান করি। করো যদি এদেশ ভালো না লাগে তারা এদেশ ছেড়ে চলে যাক। নিরিহ মানুষের ওপর কেন তারা বোমা মারবে।
সোমবার নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ব্যস্ততম পোর্ট অথরিটি বাস টার্মিনালের কাছে বোমা হামলার অভিযোগে আকায়েদ উল্লাহ নামের এক বাংলাদেশীকে গ্রেপ্তার করে নিউইয়র্ক পুলিশ। ঘটনাটি বাংলাদেশী কম্যুউনিটিতে মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।