দক্ষিণ কোরিয়ায় কারাতে প্রতিযোগিতায় রুপা জিতেছেন বাংলাদেশের চিত্রনায়ক আলেকজান্ডার বো। দেশটির বুসানে ‘কোরিয়ান ইউনিভার্সিটি স্পোর্টস ফেস্টিভাল ২০১৭’ কারাতে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ‘ম্যাডম ফুলি’ খ্যাত এই চিত্রনায়ক।

বাংলাদেশ কন-কারাতে ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে গেল ২৬ অক্টোবর আলেকজান্ডারসহ সাত সদস্যের একটি টিম বাংলাদেশ থেকে কোরিয়া যায়।
সেখানে পৌঁছে গেল ২৮ অক্টোবর নেপালের প্রতিযোগীকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন আলেকজান্ডার। এরপর কোরিয়ার প্রতিযোগীর সঙ্গে লড়ে ফাইনাল রাউন্ডে ১ পয়েন্টের জন্য হেরে যান। এরপর এই চিত্রনায়ককে খুশি থাকতে হয় রৌপ্য পদক নিয়েই।

 

কোরিয়ার বুসান থেকে সোমবার বিকেলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আলেকজান্ডার বো নিজেই। তিনি বলেন, এই ফেস্টিভ্যালে অংশ নেয় বাংলাদেশ ছাড়াও স্বাগতিক কোরিয়া, নেপাল ও কাজাকিস্তানের প্রতিযোগীরা। ৮ থেকে ৪০ বছর বয়সের প্রতিযোগীরা অংশ নেন এখানে। আমি অংশ নেই অনূর্ধ্ব ৪০ এ। নেপালের প্রতিযোগীকে প্রথম পর্বে হারালেও, কোরিয়ার প্রতিযোগিতার কাছে ‘হেবি ওয়েট’-এ এক পয়েন্টে হেরে যাই।


আলেকজান্ডার বো বলেন, ‘আমি সর্বশেষ দেশের বাইরে কারাতে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন ২০১৩ সালে। ওটা ছিল সাউথ এশিয়ান গেমস, ভেন্যু ছিল মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর। এরপর কয়েক বছর গ্যাপ দিয়ে আবার খেললাম। ব্যবসায়িক কাজে নিয়মিত অনুশীলন না করা কিংবা আমার ওজন কিছুটা বেড়ে না গেলে হয়তো গোল্ড মেডেলটা পেতাম।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের বাইরেও চিত্রনায়ক আলেকজান্ডার বো একজন সফল ‘মার্শাল আর্ট’ শিল্পী। শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশকে সুনামের সঙ্গেই তুলে ধরেছেন একাধিকবার।

‘ম্যাডাম ফুলি’ ছবির এই নায়কের ভাষায়, ‘আমি জাতীয় কারাতে প্রতিযোগিতায় ১৯৯২ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছি টানা ছয়বার। প্রতিবারই গোল্ড মেডেল পেয়েছি। এছাড়া সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়ন ১৯৯৭ সালে নির্বাচিত হয়েছি। যেটা দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এছাড়া ১৯৯৮ সালে রাশিয়াতে ইউরোপিয়ান কারাতে প্রযোগিতায় অংশ নিয়ে রানারআপ হয়েছিলাম। ’