রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় গৃহকর্মী লাইলি বেগমের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় আটক বাড়ির মালিক মঈনুদ্দিন ও দারোয়ান তোফাজ্জেল হোসেনকে তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। অপর আসামি মঈনুদ্দিনের স্ত্রী শাহনাজ বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুরে ঘটনার বিস্তারিত জানতে আটক আসামীদের আদালতে পাঠিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। পরে আদালত দুই আসামির তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাইনুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) বিকাল সাড়ে তিনটায় লাইলির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পরে ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডাক্তার সোহেল মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। প্রাথমিকভাবে লাশের মাথায় ও গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন পেলে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা জানা যাবে।

তিনি আরো বলেন, মৃত্যুর আগে ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কিনা তা জানতে নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। এদিকে গতকাল ঘটনার দিন রাতেই পুলিশ ও নিহতের ভাসুর বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় পৃথক মামলা দায়ের করে। ভাসুর শহিদুল ইসলামের মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়। এদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বাড়ির মালিক মঈনুদ্দিন, তার স্ত্রী শাহনাজ বেগম এবং দারোরান তোফাজ্জেল হোসেন। অপর মামলাটি দায়ের করেন খিলগাঁও থানা পুলিশের এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম। এ মামলায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, সরকারী কাজে বাধা এবং জননিরাপত্তা বিঘিœত করার অভিযোগ এনে ২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করা হয়েছে।