এমনই চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ্যে আসে। ২০০৭ সালের একটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, রাতে কম্পিউটারে যে মহিলারা কাজ করেন তাদেরই এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নাকি বেশি। এই রিপোর্টে তাই সাবধান করে দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞানীদের দাবি, যে মহিলারা ৩০বছর ধরে রাতে কাজ করছেন কম্পিউটারের সামনে তাদের এই ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ।

সূত্র অনুযায়ী, নাইট শিফটে কাজ করার সময় কৃত্রিম আলো শরীরের ক্ষতিসাধন করে। এই তথ্যের ভিত্তিতে ফের একবার অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিও বিষয়টিতে নজর দেয় বলে জানা যায়। প্রায় ১০বার এই বিষয় নিয়ে কাজ করা হয়েছে, ১.৪লক্ষ মহিলাকে এই কাজের জন্য যুক্ত করা হয়। এবং অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির রিপোর্টে থেকে জানা যায় রাতে কাজ করলেই যে ব্রেস্ট ক্যান্সার হবে এ তথ্য ঠিক নয়।

তবে একটি রিপোর্টে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে ৩০বছর ধরে বা তার বেশি হলেই এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি।

উল্লেখ্য, মেলাটোনিন যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে, সেই হরমোনের উৎপাদনেই বাধা দেয় রাতের এই কৃত্রিম আলো, তাই নাইট শিফট যে বিপদ ডেকে আনতে পারে মহিলাদের, তা মনে করিয়ে দিচ্ছে অনেকেই। যদি সমগ্র বিষয়টি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক রয়েছে।