নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর দুর্ঘটনা এড়াতে ২০১১ সালে কেমিক্যালপল্লী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয় সরকার। তবে আমলাতন্ত্রিক জটিলতার কারণে, গেল ৭ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি তা।
জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা গড়ায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা সংস্থা বিসিকের ওপর।

নিমতলী রাসায়নিক

এরপর কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নে কেমিক্যালপল্লীর জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হলেও সমন্বয়হীনতার অভাবে, থমকে আছে কাজের গতি।
কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও। এখানেই কেমিক্যাল পল্লীর জন্য জায়গা নির্ধারণ করেছে, সরকার। তবে, দীর্ঘ ৭ বছর পার হলেও, এখনো পর্যন্ত তা কেবল কাগজে কলমেই আটকে আছে। এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে, বিসিক কার্যালয়ে গিয়েও, কর্তৃপক্ষের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, এরই মধ্যে নিজ উদযোগেই কেমিক্যাল রাখার গোডাউন বিভিন্ন জায়গায় সরিয়ে নিচ্ছেন, তারা।
তবে, নির্দিষ্ট জায়গায় কেমিক্যালপল্লী গড়ে তোলা হলে, সেখানে যেতেও আপত্তি নেই ব্যবসায়ীদের।
বিক্ষিপ্তভাবে কেমিক্যাল রাখার গোডাউন তৈরি করা হলে অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি আরো বাড়বে বলে মনে করেন, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সোবহান।
তিনি বলেন, ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত কেমিক্যালপল্লী তৈরি করা উচিত। তা নাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণহানীর ঘটনা বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
পুরান ঢাকা থেকে কেমিক্যাল রাখার গোডাউন পুরোপুরি না সরানো পর্যন্ত, ব্যবসায়ীদের নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here