এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে স্যামুয়েলে প্রথম গ্রন্থ ‘প্রণয়’। মানববোধকে বিশেষভাবে তাড়িত করার অনবদ্য সাহিত্য সৃজনে রূপ পেয়েছে বইটির প্রতিটা পৃষ্টায়। যেখানে প্রাচীনতম জ্ঞানীজনদের অমৃত জ্ঞানের সাথে বর্তমানের গভীর সংযোগ প্রতিস্থাপনের প্রয়াস রাখা হয়েছে। জ্ঞানের পরেও জ্ঞান থাকে। যৌথ হতে এই জ্ঞানের জন্ম। সকল মানুষের যৌথ জ্ঞানই আমাদের এই বিশ্ব তথা বিশ্ব জ্ঞানভান্ডার। সৃষ্টির রহস্য নিয়ে সবার মাঝেই রয়েছে অমোঘ কৌতূহল। বিশ্বভ্রহ্মান্ড বৈচিত্র্যে ঘেরা প্রকৃতি, দেহতত্ত্ব, মনতত্ত্ব, সভ্যতার বিবর্তন আর মানবিকতার বিকাশ ও বিকারতার অনন্য রসায়নে আবৃত হয়েছে ‘প্রণয়’ গ্রন্থটি।

বইটির ইতিবৃত্তে লেখক বলেছেন- ‘ভারতবর্ষের মানুষ রসে, সুরে, গানে আবেগপ্রবণ থাকতে ভালোবাসে। এই আবেগকেই তো আমরা মন বলি (চেতনা)। আজ বিশ্বের সকল মানুষের এই আবেগটাই বড় বেশি প্রয়োজন। এই আবেগের মাধ্যমেই সকল প্রাণের সেতুবন্ধন সম্ভব। এই সেতুবন্ধনই ছিল প্রাচীন যৌথ সমাজের মূল মন্ত্র।’ এমনি জীবন আর জগতের বিদগ্ধ উচ্চারণে ‘প্রণয়’।

এতে বলা হয়েছে- যুগে যুগে বিজ্ঞানের আলোয় আলোকিত মানুষগুলো নিজ নিজ জ্ঞানের রঙে-রসে নতুন নতুন ব্যবহার রীতি, প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে চলেছেন এবং করতেই থাকবেন। বহু যৌথ কে ‘না’ বলে বাদ দিয়ে একের দিকে চলা শুরু করলো মানুষ। সেই চলা আজকে পৃথিবীর প্রায় ৭,৫০০ পারমাণবিক বোমা উৎপাদিত হয়েছে। ক্রমশ ভান্ডার বড় হচ্ছে। হয়তো কোনো এক সকালে মানুষ ঘুম থেকে জেগে শুনবে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব বিলীন। যদি বা কেউ বেঁচে থাকি। এই জ্ঞানকে অগ্রসর না ধ্বংস বলা চলে? প্রাচীনরা জ্ঞানকে প্রজ্ঞা হিসেবে দেখতেন। সে জন্য তাঁরা এক মালিকানা এক-এর পিছনে চলেননি।

সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘জি সিরিজ প্রকাশ’ থেকে বেরিয়েছে গ্রন্থটি। এর দৃষ্টিমুখর প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণ করেছেন খাদেমুল জাহান। মোরসালিন আলিফ জিয়নের বর্ণবিন্যাসে একশ তেত্রিশ পৃষ্ঠার নান্দনিক এ বইটির বিনিময় মূল্য ধরা হয়েছে তিনশত টাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here