মাঠ আছে, কিন্তু খেলার সুযোগ না থাকায় কষ্টে আছে মাগুরা, নড়াইল আর কিশোরগঞ্জ জেলার শিশু-কিশোর-তরুণরা।

এসব জেলার মাঠগুলোর বেশিরভাগই জলাবদ্ধতা, দখল আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে খেলার উপযোগী নয়।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান হবার স্বপ্ন, মাগুরার অধিকাংশ তরুণের। নিজ এলাকার ছেলে, বিশ্ব ক্রিকেট অঙ্গন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, তাই গর্বের শেষ নেই মাগুরাবাসীর।

তবে ভবিষ্যতে আর কোন সাকিব তৈরি হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে ক্রীড়াপ্রেমী এবং সংগঠকদের। কেননা খেলাধূলার চর্চার জন্য মাঠ থাকলেও বছরের বেশির ভাগ সময়ই থাকে পানির নিচে। মাঠ না থাকায় নিয়মিত খেলাধূলার চর্চাও হচ্ছে না বলে জানান স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক ।

নড়াইল এক্সপ্রেস মাশরাফি বিন মর্তুজা ছেলাবেলায় যে মাঠে ক্রিকেট প্র্যাকটিস করতেন, সে মাঠের এখন বেহাল দশা। ক্রীড়া সংগঠকেরা জানান, জলাবদ্ধতার পাশাপাশি দখল আর যথাযথ সংস্কারের অভাবে অনেক মাঠই হারিয়ে যাচ্ছে নড়াইল থেকে।

বর্তমানে, নড়াইল জেলার ৬০ জনের মতো ক্রীড়াবিদ জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন খেলছেন। খেলাধূলায় নড়াইল জেলার সুখ্যাতি ধরে রাখতে, মাঠগুলো রক্ষণাবেক্ষনে উদ্যোগী হবার আহবান জানান জেলাবাসী।

কিশোরগঞ্জে নতুন পুরান দুটি স্টেডিয়াম থাকলেও, খেলাধুলার সুযোগ নেই। নতুন স্টেডিয়াম নামে পরিচিত শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্টেডিয়ামটি সংস্কারের কারণে বন্ধ রয়েছে প্রায় দুই বছর ধরে।

আর পুরান স্টেডিয়ামে বছর জুড়ে বইমেলা, বৃক্ষমেলা, বৈশাখী মেলা, তাঁত ও বস্ত্র মেলাসহ নানা মেলা লেগেই থাকে। খেলাধুলার কোন বালাই নেই।

কিশোরগঞ্জবাসীর আক্ষেপ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অভিভাবক নাজমুল হাসান পাপনের নিজ এলাকাতেই ক্রিকেট লীগ হচ্ছে না আট বছরের বেশি সময় ধরে।