প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২২ থেকে ২৩ জন করে সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন।

বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন। বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে বিএনপি প্রার্থীর আশঙ্কার বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি প্রার্থীর এ অভিযোগ সঠিক না। অবশ্যই নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। এজন্য আমরা বদ্ধপরিকর। নির্বাচনে ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরো বলেন, এখন ২২ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। শুক্রবার থেকে ৩৩ জনের নেতৃত্বে প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে। এখন থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হবে। টাকা ছড়ানোর বিষয়টি নজরে আসলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে যা প্রয়োজন সেটাই করা হবে। নির্বাচনে বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার সদস্যদের নিয়ে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, একটি ভোট কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে। এটা নির্ভর করছে স্থানীয় জনগণের চাহিদার ওপর। ভোটাররা চাইলে ইভিএম ব্যবহার হবে, নইলে নয়।

রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের সভাকক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। সভায় পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, পুলিশ সপুার মিজানুর রহমান, রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার, জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here