চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ঘাম ঝরানো জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে দলটি। এই জয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্বে পা রেখেছে জিনেদিন জিদানের দল।
দলের জয়ে ১টি করে গোল করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, বোরহা মায়োরাল ও লুকাস ভাসকেস। ১ গোল করার সুবাদে ইতিহাসে ঢুকে গেছেন সিআরসেভেন। চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বের ইতিহাসে টানা ৬ ম্যাচে গোল করার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
বুধবার রাতে ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যু’তে শুরুতেই বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে কাঁপিয়ে দেয় রিয়াল মাদ্রিদ। অষ্টম মিনিটে ইসকোর পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মায়োরাল। চার মিনিট পর সমর্থকদের আনন্দের জোয়ারে ভাসান রোনালদো। কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করে তিনি। এর সুবাদে ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এক আসরে চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বে টানা ৬ ম্যাচে গোল করার কীর্তি গড়েন পর্তুগিজ যুবরাজ।
এই গোল দিয়ে আরো একটি মাইলফলক ছুঁয়েছেন রোনালদো। ৬০ গোল নিয়ে এতদিন চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন লিওনেল মেসি। ৫৯ গোল নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন সিআরসেভেন। এবার তাতেও ভাগ বসালেন তিনি। বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদার লিগের গ্রুপ পর্বের ইতিহাসে এখন যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা সময়ের দুই সেরা ফুটবলার।
এরপরই জেগে উঠে বরুসিয়া। মুহূর্মুহু আক্রমণে রিয়ালের রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলেন দলটির আক্রমণভাগের খেলোয়াড়েরা। তবে কাঙ্খিত সাফল্য আসছিল না। অবশেষে ৪৩ মিনিটে দারুণ হেডে ব্যবধান কমান পিয়েরে-এমেরিক আউবামেয়াং। এতে ২-১ ব্যবধান নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতি থেকে ফিরেই বার্নাব্যুকে স্তব্ধ করে দেন আউবামেয়াং। গোল করে দলকে এনে সমতা। এতে আরো একটি হোঁচটের শঙ্কায় পড়ে রিয়াল। এই যাত্রায় লস ব্লাঙ্কোজদের উদ্ধার করেন ভাসকেস। ৮১ মিনিটে তার গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত আর গোল না হওয়ায় ৩-২ ব্যবধানের স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here