বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) ২০১৭-১৯ মেয়াদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার। জাতীয় প্রেসক্লাবে ভোট নেয়ার পাশাপাশি দিনব্যাপি নির্বাচনী নানা কার্যক্রম চলবে।
এদিন সকাল ১০টায় শুরু হবে বার্ষিক সাধারণ সভা। তারপর দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত জুমার নামাজ ও খাবারের জন্য ভোটগ্রহণে বিরতি থাকবে। বিরতির পর দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
বাচসাস নির্বাচনে এবারই প্রথম ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ হবে। এবার মোট ভোটার ৪৬৮ জন। পাঁচ বছর পর এই ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে ভোটারদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
সবশেষ এ সংগঠনের নির্বাচন হয়েছিল ২০১২ সালে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দু’টো প্যানেল। আবদুর রহমান-ইকবাল করিম নিশান ও লিটন এরশাদ-কামরুল হাসান দর্পণ প্যানেলে মোট ২১টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪২ প্রার্থী।
সাতজন নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। তারা হলেন ফরিদ বাশার, ফাল্গুনী হামিদ, মাঈনুল হক ভূঁইয়া, মাহবুবুর রহমান আলমগীর, রেজাউল করিম শামীম, আবুল হোসেন মজুমদার ও এরফানুল হক নাহিদ।
নির্বাচন নিয়ে সভাপতি প্রার্থী আবদুর রহমান বলেন, ‘বিগত দিনে বাচসাস সদস্যদের পাশে ছিলাম। আছি। থাকব। গেলো মেয়াদে নানা ধরনের কার্যক্রম চালিয়েছি। এই মেয়াদে জয়ী হলে আমার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করব। আশা করছি, ভোটাররা সঠিক রায়ই দেবেন।
আরেক সভাপতি প্রার্থী লিটন এরশাদ বলেন, ‘অসুস্থতা নিয়ে নির্বাচন করছি। হাসপাতালে থাকায় প্রার্থীদের কাছে যেতে পারিনি। মনটা পড়ে রয়েছে তাদের কাছে। আশা করছি, তারুণ্যের এই প্যানেলের জয় হবেই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
এর আগে ২০১২ সালের নির্বাচনে আব্দুর রহমান-ইকবাল করিম নিশান প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। ওই নির্বাচনে একই প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন সহ-সভাপতি লিটন এরশাদ ও সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কামরুল হাসান দর্পন।
এবার দু’টো প্যানেলেই প্রবীণ ও নবীন সাংবাদিকদের সমন্বয় করা হয়েছে। সে কারণে ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাসটাও বেশি। সাধারণ ভোটারদের চাওয়া, নবনির্বাচিত যারাই হন না কেন তারা সংগঠনটির হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবেন।