এবার হজযাত্রীদের জন্য ই-ভিসা চালু করেছে সৌদি সরকার। এই ভিসা পাসপোর্টের সঙ্গে লাগানো না থাকাতে হজযাত্রীদের এটি আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

ই-ভিসার কাগজ আলাদাভাবে প্রিন্ট করে হজযাত্রীদের দেয়া হবে।

আগে পাসপোর্টের সঙ্গে ভিসা লাগানো থাকায় আলাদা করে সংরক্ষণের প্রয়োজন হতো না কিন্তু এখন থেকে ই-ভিসা ও পাসপোর্ট বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশ কাউন্টারে দেখাতে হবে।

হজযাত্রীদের যাওয়া-আসার জন্য দু’টি বোর্ডিং কার্ড যাত্রীদের আগেই দিয়ে দেয়া হবে। আগে যাওয়ার সময় একটি বোর্ডিং কার্ড, ফেরার সময় একটি বোর্ডিং কার্ড দেয়া হতো।

ইমিগ্রেশন পুলিশ পাসপোর্টের নির্দিষ্ট পাতায় সিল মারার পর সেটি যত্ন করে রাখতে হবে। ই-ভিসা দেখাতে ও প্রিন্ট করতে পাসপোর্ট নম্বর ও নামের শেষ অংশ লিখে দেয়া হবে।

হজযাত্রীরা যাওয়ার আগে তিন সেট করে ই-ভিসা, বোর্ডিং কার্ড, হেলথ কার্ড, পাসপোর্টের ফটোকপি করবে। মূল কপি থাকবে নিজের কাছে। এক সেট সংরক্ষণ করবে হাতব্যাগে, এক সেট মালামালের সাথে। আরেক সেট দেশে আত্মীয়-স্বজনের কাছে থাকবে।

কারণ হিসেবে বলা হয়, জেদ্দা হজ টার্মিনালে পৌঁছানোর পর মক্কায় বাসে ওঠার আগে মোয়াল্লেম পাসপোর্ট জমা নিয়ে নেয়। আবার দেশে ফেরার সময় জেদ্দা বিমানবন্দরে মোয়াল্লেম পাসপোর্ট ফেরত দেয়।

পাসপোর্টের সঙ্গে ভিসা, হেলথ কার্ড যথাযথভাবে না লাগানো হলে হারিয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধরা ভুলে যান। এতো কাগজপত্রের হিসাব রাখতে পারেন না। হজে যাওয়ার আগে যাত্রীদের আত্মীয়-স্বজদের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।

এছাড়া হজযাত্রী ও হজ এজেন্সির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিপত্রটি (হজের ওয়েবসাইট www.hajj.gov.bd থেকে ১৫ নম্বর ফরম) সঙ্গে রাখবেন।