বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনা বিনিয়োগ আসছে?
প্রবাস নিউজ ডেস্কঃ

চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন গেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে এই সফর হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ সফরের ফলে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরে সঙ্গী হয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এ সফরে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ খাতে চীনের বিনিয়োগ আসতে পারে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরে সৌরবিদ্যুৎ খাতে চীনের বিনিয়োগ নিয়ে সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। চীন সফরের আগেই বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে চুক্তিতে সম্ভাব্য কী কী বিষয় থাকতে পারে, সেসব জানতে টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) কাছে প্রস্তাবনা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়।
স্রেডা সৌরবিদ্যুতের প্রসার ও পাওয়ার সেভিং বাল্ব উৎপাদসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে একটি সার সংক্ষেপ প্রস্তাবনা পাঠায় বিদ্যুৎ বিভাগে। পরে সেটি নিয়ে যাচাই বাছাই ও পর্যালোচনা করে বিদ্যুৎ বিভাগ। আশা করা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টার এই সফরেই এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হচ্ছে।
যদিও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন গত রোববার (২৩ মার্চ) গণমাধ্যমকে জানান, এ সফরে কোনো চুক্তি সই হচ্ছে না। তবে কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে গত ১৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জাগো নিউজকে বলেন, এখনো কাজ হচ্ছে। আমরা কাজ করছি। চুক্তির সম্ভাবনা আছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সফর করেন চীনের উচ্চপর্যায়ের এক ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল। তারা বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেন। গত ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেন চীনের ওই প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। সে বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আগ্রহের কথা জানান তারা। পরে বিডার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিডা জানায়, চীনের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ অনুসন্ধান করছে। এ লক্ষ্যে তারা বিডা ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। চীনা প্রতিনিধিদলে দেশটির লংজি গ্রিন এনার্জি টেকনোলজি কোম্পানি, টংওয়েই কোম্পানি ও ইউনান শোর মতো শীর্ষস্থানীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোম্পানির কর্মকর্তারা ছিলেন।
বৈঠকে চীনা কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের উন্নত প্রযুক্তি ও সফল আন্তর্জাতিক প্রকল্পগুলো উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌরশক্তি খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের সীমাবদ্ধতার কারণে বড় ধরনের কোনো চুক্তির মতো পদক্ষেপ না আসাই স্বাভাবিক। তবে এই সরকারের সময়ে হওয়া সমঝোতা স্মারক কিংবা প্রাথমিক উদ্যোগকে পরবর্তী সরকারগুলোর কর্মপরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার পথে সহায়ক হতে পারে।
- `রক্তদানে বিত্ত বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা`
- প্রথমবারের মতো পালিত হচ্ছে টোটাল ফিটনেস ডে
- ১২ পয়েন্ট কাটা পড়লেই বাতিল ড্রাইভিং লাইসেন্স
- তুরস্কের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় শ্রমিক পাঠাতে চায় বাংলাদেশ
- মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক
- নব্বইয়ের দশকে গ্রামে আমাদের শৈশব কৈশোরের ঈদ
- সফলতার গল্প পড়ে পাঠকেরা অনুপ্রাণিত হন
- ভারতে যাওয়া কমেছে বাংলাদেশিদের
- যেসব কারণে দেশের বড় অংশজুড়ে মরুভূমির মতো আবহাওয়া
- সৈয়দ নজরুল ও আশরাফের ম্যুরালে কালি লেপনের প্রতিবাদে মানববন্ধন